ভূমিকা
► একজন শিক্ষার্থী গ্রুপের জন্য ১ করিন্থীয় ১:১৭-২৫ পড়বে। হারিয়ে যাওয়া আত্মাদের বাঁচানোর জন্য ঈশ্বরের পদ্ধতিটি কী?
ইহুদিরা তাদের জাতিকে উদ্ধার করার জন্য শক্তি খুঁজছিল। তারা ক্ষমতার চিহ্নসহ একটি শক্তিশালী বার্তা চেয়েছিল যা কার্যকরী হবে।
পরজাতিরা জীবনকে বোঝার জন্য এবং জগতে সফলতার জন্য জ্ঞান চেয়েছিল। তারা এমন একটি বার্তা চেয়েছিল যা ব্যাখ্যা করবে যে তারা যা চায় তা কীভাবে পেতে পারে।
ক্রুশ আত্মসমর্পণ এবং আত্মত্যাগের প্রতিনিধিত্ব করে। ইহুদিরা যারা ক্ষমতা চেয়েছিল, তাদের কাছে এটি দুর্বলতা স্বরূপ। পরজাতিরা যারা পার্থিব জ্ঞান চেয়েছিল, তাদের কাছে এটি ছিল মূর্খতা। বাস্তবে, খ্রিষ্টের মৃত্যুতে ঈশ্বরের শক্তি ও প্রজ্ঞা প্রদর্শিত হয়েছিল। ক্রুশকে ঈশ্বরের দুর্বলতা এবং মূর্খতার মতো মনে হলেও এটি মানুষের সেরা প্রচেষ্টার চেয়েও বড় বিষয় ছিল।
সুসমাচারের বার্তা মানব জীবনের স্বাভাবিক, পাপপূর্ণ ইচ্ছার বিরুদ্ধে যায়। এটি অনুতাপ করার এবং ঈশ্বরের কাছে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানায়। এটি একটি মুর্খামির বার্তার মত মনে হয়, কারণ লোকেরা মূলত তারা নিজেরা যা চায় তা কীভাবে পেতে পারে সেটি জানার জন্য শুনতে চায়।
ঈশ্বর মানুষকে বাঁচানোর জন্য সুসমাচার ব্যবহার করার উপায়টি নির্বাচন করেছেন। তিনি বিশ্বাসীদেরকে যোগাযোগ স্থাপনের দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রচার শব্দটি কেবল সেই একজন ব্যক্তিকে বোঝায় না যে জনতার সাথে কথা বলছে, কিন্তু বিভিন্ন রূপে সুসমাচারের সংযোগকে বোঝায়। এই প্যাসেজের বিষয়টি এই নয় যে জনসাধারণের মধ্যে প্রচার ঈশ্বরের মনোনীত পদ্ধতি। মূল বিষয়টি হল যে সুসমাচার হল ঈশ্বরের পদ্ধতি।
► যারা বিশ্বাস করে না তাদের কাছে ক্রুশের প্রচার মুর্খতাস্বরূপ – এটির মাধ্যমে এই প্যাসেজটিতে কী বোঝানো হয়েছে?