মিনিস্ট্রি লিডারশিপ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আন্তঃসাংস্কৃতিক। মন্ডলীর পৃথিবী জুড়ে সুসমাচার প্রচারের কাজ এবং মন্ডলীর আত্মিক ঐক্যের কারণে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ একত্রিত হয়।
অন্য সংস্কৃতিতে কাজ করা একজন ব্যক্তিকে তার প্রশিক্ষণ এবং প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠানে তার মর্যাদার কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাকে লিডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অতএব, ক্রস-কালচারাল অর্থাৎ, আন্তঃসাংস্কৃতিক পরিচর্যা কাজে একজন ব্যক্তির নেতৃত্ব অধ্যয়ন করা উচিত।
► আপনি যদি এমন কোনো স্থানীয় মন্ডলী সম্পর্কে জানেন যা একাধিক সংস্কৃতির সমন্বয়ে গঠিত অথবা এমন একটি মন্ডলী যা বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে পরিচর্যা কাজ করছে, তাহলে সেটির সম্পর্কে বলুন।
আন্তঃসাংস্কৃতিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার অর্থ হলো দুই বা ততোধিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে আসা লোকেদের আপনার সাথে আস্থার একটি সম্প্রদায় গড়ে তোলার জন্য অংশগ্রহণ করতে এবং তারপরে আপনাকে অনুসরণ করতে এবং বিশ্বাসের একটি আকর্ষণীয় দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের জন্য আপনার দ্বারা ক্ষমতায়িত হতে অনুপ্রাণিত করা।[1]
বিশ্বাসের একটি সম্প্রদায় গঠন
প্রথমে এমন একটি সম্প্রদায় গড়ে তুলুন যারা একসাথে জীবনযাপন করবে, এবং তারপর সেই সম্প্রদায় কী অর্জন করতে পারে তার দর্শন বা দৃষ্টিভঙ্গি খুঁজে বের করুন। একটি মন্ডলী স্থাপনের প্রচেষ্টায়, একটি প্রতিষ্ঠিত মন্ডলী হওয়ার আগে সম্প্রদায়টি একটি ছোটো দল বা গোষ্ঠী হতে পারে। একটি মন্ডলী বিকাশের সাথে সাথে, এতে একটি মন্ডলীর জীবনযাত্রার সমস্ত দিক থাকা উচিত।[2] এটি ঘটতে হলে, দলটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে হবে, বিশেষ করে যদি বেশিরভাগ বিদেশীদের নিয়ে দলটি গঠিত হয়ে থাকে। দলটিতে “আমরা বনাম তারা” দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত নয়।
ভরসা বা বিশ্বাস কীভাবে গড়ে ওঠে? আপনাকে অবশ্যই এটি সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে হবে। বিশ্বাস গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় ঝুঁকি, অনিবার্য ভুল এবং সংশোধন এবং সম্পর্ক লালনপালনের জন্য পর্যাপ্ত ভালোবাসা এবং সততা জড়িত। একটি সম্পর্কে পর্যাপ্ত ভালোবাসা এবং সততা ছাড়া সম্পর্কটি অগভীর থাকে এবং খুব বেশি বিশ্বাস বা ভরসা তৈরি হয় না।
► এইভাবে মানুষকে বিশ্বাস বা ভরসা করার অর্থ কী?
মানুষকে অনুপ্রাণিত করার অর্থ কী? অন্যদেরকে অনুপ্রাণিত করা কেবল ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করার চেয়েও বেশি কিছু। এর মধ্যে রয়েছে মনোভাব গঠন এবং অনুপ্রেরণামূলক কার্যকলাপ। অনুপ্রেরণা মানুষের বিশ্বাসকে প্রভাবিত করে। এটি দলের সদস্যদের মধ্যে মানসিক সংযোগও তৈরি করে।
বিশ্বাসের এক সুদৃঢ় দর্শন
পরিচর্যা কাজের নেতৃত্বের জন্য সুদৃঢ় দর্শনে মধ্যে থাকবে সুসমাচার, পবিত্র জীবনযাপন, মন্ডলী এবং সুসমাচার প্রচার। মনে রাখবেন যে নতুন সংস্কৃতিতে এগুলি এমন রূপ ধারণ করবে যা আপনার কাছে পরিচিত নয়।
এখানে বর্ণিত দর্শন সুদৃঢ়, কারণ এটি বাইবেলের একটি আদেশের সাথে আসে যা অঙ্গীকারবদ্ধতার আহ্বান জানায়। এই দর্শন দলের সদস্যদের গভীর অঙ্গীকারবদ্ধতার জন্য অনুপ্রাণিত করবে।
পথের নেতৃত্বদান
লিডারকে প্রথমে কয়েকজন প্রঅঙ্গীকারবদ্ধ ব্যক্তির সহযোগিতায় এবং পরে অন্যদের সাথে পরিচর্যা কাজের জীবনকে আদর্শস্বরূপ করতে হবে। তাকে এমন একটি দল তৈরি করতে সাহায্য করতে হবে যারা বাস্তব জীবনে দর্শন কেমন দেখায় তা প্রদর্শন করবে।
অনুসরণ করার জন্য অন্যদেরকে আহ্বান
সে অন্যদেরকে এই দর্শন অনুসরণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানায়। সে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে, ব্যক্তিদের পরামর্শদানের মাধ্যমে, শিক্ষাদানের মাধ্যমে এবং দায়িত্ব নেওয়ার জন্য লোকেদের আমন্ত্রণ জানিয়ে এটি করে।
যারা অনুসরণ করে তাদের ক্ষমতায়ন করা
একজন প্রকৃত লিডার অন্যদেরকে দায়িত্ব প্রদান করে। সে বিভিন্ন ঝুঁকি গ্রহণ করে, সৃজনশীলতাকে অনুমোদন দেয়, এবং দলের অন্যদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করে।
► নেতৃত্বদানের এই দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে আপনি কী শিখলেন? সবল দিকগুলি কী কী? অসুবিধাগুলি কী কী?
[1]Sherwood Lingenfelter, Leading Cross-Culturally (Ada: Baker Academic, 2008), 117
[2]মন্ডলীর জীবনযাত্রার সম্পর্কে আরও জানতে আমরা Shepherd Global Classroom থেকে মন্ডলীর মতবাদ ও অনুশীলন কোর্সটি অধ্যয়নের সুপারিশ করি।
পদন্নোতি সম্পর্কে সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি
কিছু কিছু সংস্কৃতিতে বহু বছর ধরে বিশ্বস্তভাবে অংশগ্রহণের পরেই একজন ব্যক্তিকে নেতৃত্বের পদে উন্নীত করা হয়। একটি সংস্কৃতির লিডাররা বলেছিল যে তাদের সম্ভাবনাময় লিডারদেরকে ১০ বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এই ধরণের সংস্কৃতিগুলিতে একজন নবাগত ব্যক্তির পক্ষে উচ্চপদে যাওয়া কঠিন। মিশনারিরা কখনো কখনো এমন কোনো পদ পূরণ করার চেষ্টা করার সময় হতাশ হয় যেখানে তাদের একটি বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয়, কারণ স্থানীয় নেতারা বিশেষ ক্ষমতায় সুদক্ষ ব্যক্তিকে ব্যবহার করার পরিবর্তে এমন কাউকে ব্যবহার করতে চায় যে নিজেকে প্রমাণ করেছে এবং দীর্ঘকাল ধরে বিশ্বস্ত রয়েছে।
অর্ণব বহু বছর ধরে একজন মিশনারি হিসেবে এমন এক সংস্কৃতিতে কাজ করেছিলেন যেখানে একজন অনুবাদক কেবল একজন ব্যক্তি ছিলেন, যিনি একটা চাকরি করতেন। অর্ণব সবসময় এমন একজনকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করতেন যিনি সবচেয়ে ভালোভাবে কাজটি করতে পারবেন, এমনকি যদি তিনি সেই ব্যক্তিকে খুব বেশিদিন ধরে নাও চেনেন ।
এবার, অর্ণব এমন এক সংস্কৃতিতে কাজ করছিলেন যেখানে সেই প্রতিষ্ঠানে অনুবাদকের পদ ছিল উচ্চপদ। লিডাররা তাকে কেবল একজন অনুবাদককে অনুমতি দিত যাকে তারা জানত যে সে মন্ডলীর একজন বিশ্বস্ত সদস্য। কখনো কখনো অর্ণবকে এমন একজন অনুবাদকের সাথে প্রচার করতে হত যে কাজটি ভালোভাবে করতে পারত না, অন্যদিকে একজন ভালো অনুবাদক মন্ডলীতে দর্শকের আসনে বসে থাকত।
কিছু কিছু সংস্কৃতি শিক্ষা এবং প্রতিভার চেয়ে বয়স এবং অভিজ্ঞতাকে অনেক বেশি সম্মান দেয়। মিশনারিরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তরুণদের প্রশিক্ষণ দেয় কারণ তারা উচ্চাকাঙ্খী, পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত এবং তাদেরকে বয়স্কদের তুলনায় প্রশিক্ষণ দেওয়া সহজ। তবে, বেশিরভাগ সংস্কৃতিতেই, মন্ডলী চায় তরুণ লিডাররা বয়স্ক লিডারদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাক। তরুণ লিডারদেরকে ধৈর্যশীল, সহায়ক এবং বয়স্ক লিডারদের উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে। বয়স্ক লিডারদের উচিত তরুণদের উপর দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা এবং লিডারশিপ টিমকে প্রসারিত করার সুযোগ দেওয়া।
► বয়স এবং অভিজ্ঞতার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কীভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে?
কর্তৃত্বের পদসমূহ বিষয়ে সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি
একজন লিডার কীভাবে নির্বাচিত হয়? একজন লিডার কীভাবে তার অবস্থান ধরে রাখে? একজন লিডারের পদমর্যাদা সম্পর্কে দু’টি বিপরীত সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।
একটি দৃষ্টিভঙ্গিতে, লিডারকে তার যোগ্যতা এবং চরিত্রের কারণে তার পদ দেওয়া হয়। সে যাদেরকে নেতৃত্ব দেয়, তাদের দ্বারা সে নির্বাচিত হতে পারে। সে লিডার হিসেবে কাজ করে যায়, কারণ সে ভালোভাবে নেতৃত্ব দেয়। তার কোনো পূর্ণ কর্তৃত্ব নেই কিন্তু সে কোনো দল, গোষ্ঠী বা তত্ত্বাবধায়কের কাছে দায়বদ্ধ। যদি সে খারাপ স্বাস্থ্য বা অন্যান্য পরিস্থিতির কারণে কাজ করতে অক্ষম হয়, তাহলে তাকে পদত্যাগ করতে হবে বলে আশা করা হয়। যদি সে ভালোভাবে নেতৃত্ব না দেয়, তাহলে তাকে নির্বাচনের মাধ্যমে সরানো যেতে পারে। যদি সে কোনো অনৈতিক বা অসৎ কাজ করে, তাহলে তাকে লিডার হিসেবে অব্যাহত থাকার যোগ্য বলে মনে করা হয় না, বিশেষ করে একটি খ্রিষ্টীয় প্রতিষ্ঠানে।
অন্য ধরণের সংস্কৃতিতে, লিডারকে তার পদ দেওয়া হয় কারণ সে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত এবং অনুগত হিসেবে পরিচিত। সে কর্তৃত্বের পদে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি দ্বারা নিযুক্ত হয়। অবশেষে তার প্রায় সম্পূর্ণ কর্তৃত্বই থাকে। সে পরামর্শ শুনতে পারে, কিন্তু তার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কখনোই তাকে অগ্রাহ্য করা হয় না। বহু বছর ধরে লিডার হিসেবে থাকার পর, তার অব্যাহত অবস্থান সে কতটা ভালোভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে তার উপর নির্ভর করে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সে জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে এবং তার কার্যকলাপ সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর আশা করা হয় না। এমনকি অনৈতিক বা অসৎ কাজও তাকে অপসারণের কারণ নাও হতে পারে। এমনকি বৃদ্ধ বয়সে বা খারাপ স্বাস্থ্যের কারণে যখন সে কাজ করতে অক্ষম হয়, তখনও সে খুব কমই কোনো দায়িত্ব পালন করলেও নিজের পদে থাকতে পারে। তার অনুগামীরা তাকে এমন কোনো চরম ক্ষেত্র ছাড়া অপসারণ করবে না যেখানে সে সম্পূর্ণরূপে অসম্মানিয়।
এই ধরণের সংস্কৃতিতে লিডার স্বেচ্ছায় তার নির্বাচিত উত্তরাধিকারীর কাছে পদ হস্তান্তর না করলে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয় না। যদি দলটি তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে লিডারকে অপসারণ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে এর ফলে অভিযোগ, সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি, আইনি ব্যবস্থা, জনসাধারণের দ্বন্দ্ব এবং প্রতিষ্ঠান বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। দুঃখের বিষয় হল পরিচর্যাকারী প্রতিষ্ঠানগুলি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের সংস্কৃতির উদাহরণ অনুসরণ করেছে এবং তাদের খ্রিষ্টীয় সাক্ষ্যকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
জ্যোতির্ময় বহু বছর ধরে একটি মন্ডলীতে পাস্টার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। বয়সকালে তাঁর স্বাস্থ্য ভেঙে পড়েছিল। তিনি অন্য একটি শহরে চলে যান, এবং তিনজন সহযোগী পাস্টার সেই মন্ডলীটি চালনা করতে থাকেন। জ্যোতির্ময় পাস্টারের পদটি ধরে রেখেছিলেন, যদিও তিনি খুবই কম সেই মন্ডলীতে যেতেন।
হানন ছিলেন জেরুশালেমের মহাযাজক। তিনি পদত্যাগ করার পরে তার জামাই কায়াফা নতুন মহাযাজক হয়েছিলেন। যদিও হানন সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন, কিন্তু তিনি কোনো সরকারি পদে ছিলেন না। যখন যিশুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, সৈন্যরা প্রথমে তাকে কায়াফার কাছে নয়, বরং হাননের কাছে নিয়ে গিয়েছিল (যোহন ১৮:১২-১৩, ২৪)।
অন্য সংস্কৃতি থেকে আসা মিশনারিরা কখনো কখনো একটি প্রতিষ্ঠানে কর্তৃত্বের ধারণাটি বুঝতে হিমশিম খায়। তারা বুঝতে পারে না যে একজন ব্যক্তি যখন কাজটি করতে পারে না, তখন কেন সে কর্তৃত্বের পদে থাকে। তারা বুঝতে পারে না যে বোর্ড এবং কমিটিগুলি কেন কেবল শীর্ষ লিডারের আদেশই অনুসরণ করে।
অন্য সংস্কৃতিতে কর্মরত একজন লিডারকে অবশ্যই সেই সংস্কৃতিতে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তা শেখার জন্য সময় নিতে হবে। কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠদের কোনো কিছুর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য রাজি করানোই যথেষ্ট নয়। ভোট দেওয়ার অর্থ হল প্রতিটি ব্যক্তির মতামত সমান মূল্যবান, যা মূলত কেউই বিশ্বাস করে না। কিছু লোকের পুরো প্রতিষ্ঠান জুড়ে দুর্দান্ত প্রভাব রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই তাদের উদ্বেগগুলিকে পরিতুষ্ট করতে হবে।
ক্ষমতার দূরত্ব
কিছু সংস্কৃতিতে লিডাররা তাদের প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের মানুষের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে। একজন কারখানার মালিক হয়তো কারখানার মধ্য দিয়ে হেঁটে গিয়ে শ্রমিকদের সাথে কথা বলতে পারে এবং তাদের নাম ধরে ডাকতে পারে। একজন লিডার হয়তো ট্রাক থেকে মালপত্র নামাতে করতে বা বিল্ডিং পরিষ্কার করতে সাহায্য করতে পারে।
অন্যান্য সংস্কৃতিতে লিডারকে প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ লোকের থেকে দূরের বলে বিবেচনা করা হয়। লোকেরা তার সাথে সরাসরি কথা বলার আশাই করে না। তারা চায় না যে লিডার কোনও ছোটোখাটো কাজ করুক। যদি সে তাদের সাথে কথা বলে, তাহলে তারা নজরে আসতে পেয়ে খুশি হতে পারে, অথবা তারা অস্বস্তি বোধ করতে পারে।
ডুয়ান এলমার (Duane Elmer) একটি অন্য দেশের বাইবেল স্কুলের অধ্যক্ষ হিসেবে কাজ করতেন। একটি শনিবারের বিকেলে তিনি লক্ষ্য করেছিলেন যে ঘাস কাটা হয়নি, তাই তিনি নিজেই সেটি করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন যে তার এই কাজ নম্রতার মডেল তৈরি করবে এবং যারা দেখছে তাদেরকে কাজের প্রতি তার ইচ্ছুক মনোভাব প্রভাবিত করবে।তবে, যখন শিক্ষার্থী এবং কর্মীরা জানতে পেরেছিল, তখন তারা অস্বস্তি বোধ করেছিল। তারা বলেছিল যে তার এই কাজ দেখে লোকেরা ভাবতে শুরু করেছিল যে স্কুলের কর্তৃত্বের কাঠামো এতটাই দুর্বল যে অধ্যক্ষ কাউকে ঘাস কাটার আদেশ দিতে পারেন না। এটি আরো প্রকাশ করেছিল যে প্রতিষ্ঠানটি ছোটো এবং নগণ্য কারণ অধ্যক্ষকে এই ধরনের একটি তুচ্ছ কাজ করতে হয়েছিল। সাংস্কৃতিক প্রত্যাশা সম্পর্কে এই নতুন ধারণার সাথে এলমার তার আচরণ পরিবর্তন করেছিলেন। পরবর্তী কয়েক মাস ধরে, লোকেরা তাকে কর্তৃত্বপূর্ণ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিল, যেখানে তিনি অন্যরা কীভাবে কাজ করছে তা দেখতেন।[1]
সফররত আমেরিকান মিশনারিরা এমন একটি বাড়িতে খাবার খাচ্ছিল যেখানে দু’জন মহিলাকে রান্না করার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল। মিশনারিরা জোর দিয়ে বলেছিল যে রাঁধুনিরাও একই টেবিলে বসুক এবং তাদের সাথে খাওয়া-দাওয়া করুক। মহিলারা শেষ পর্যন্ত টেবিলে না বসা পর্যন্ত তারা বাদানুবাদ করেছিল, কিন্তু মহিলারা অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছিল। রাঁধুনিরা খুব বেশি কিছু খায়নি এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব টেবিল ছেড়ে চলে গিয়েছিল। মিশনারিরা রাঁধুনিদের প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা দেখাতে চেয়েছিল, কিন্তু মহিলারা এই সম্মান নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেনি।
বিবেচনার জন্য কিছু বাইবেলভিত্তিক নীতিসমূহ
অন্য সংস্কৃতিতে কর্মরত খ্রিষ্টবিশ্বাসী লিডারদের অবশ্যই সেই সংস্কৃতিতে খ্রিষ্টীয় নীতিগুলি সাবধানতার সাথে প্রয়োগ করতে হবে। আমরা জানি যে মন্ডলীতে পদমর্যাদার জাগতিক সিস্টেম অনুসরণ করা উচিত নয় (গালাতীয় ৩:২৮)। আমাদের কিছু লোকের সাথে তাদের সম্পদ বা পদমর্যাদার কারণে অন্যদের চেয়ে ভালো আচরণ করা উচিত নয় (যাকোব ২:১-৪)। যিশু বলেছিলেন যে একজন লিডারের সেবা করতে ইচ্ছুক হওয়া উচিত, এমনকি তা যদি সবচেয়ে নিম্নস্তরের কাজ করেও হয় (যোহন ১৩:১৪-১৭)। যিশু প্রায়শই লোকেদেরকে অবাক করে দিতেন যখন তিনি তাঁর পদমর্যাদার সাথে সংযুক্ত রীতিনীতি অনুসরণ করতেন না (যোহন ৪:৯, লূক ১৮:১৫-১৬)।
মিশনারিদের সকল মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা এবং সেবা করার আগ্রহের উদাহরণ স্থাপন করা উচিত। তবে, তাদের সংস্কৃতির মানুষদের বৈধ উদ্বেগের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত। তাদের দেখাতে হবে যে তারা প্রতিষ্ঠিত রীতিনীতিকে সম্মান করে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে না।
মোশির কাছে সেই সময়ের পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের (মিশর) শাসক হওয়ার সুযোগ ছিল। পরিবর্তে, তিনি দাসদের একটি জাতির সাথে নিজেকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন (ইব্রীয় ১১:২৫)। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়ে তিনি জানতেন না যে ঈশ্বর তাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ লিডারদের অন্যতম একজন করে তুলবেন। মোশি সেই দাসদেরকে স্বাধীনতার দিকে পরিচালিত করবেন, ৪০ বছর ধরে শত্রুভাবাপন্ন অঞ্চলে তাদেরকে পথ দেখাবেন, এমন একটি আইন ব্যবস্থা দিয়েছিলেন যা পরবর্তী সময়ে সমস্ত সভ্য জাতিকে প্রভাবিত করবে এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা এবং খ্রিষ্টের দিকে নির্দেশিত উপাসনার ধরণ বাস্তবায়ন করবেন।
মোশির প্রথম বড়ো সিদ্ধান্ত ছিল ঈশ্বরের লোকেদের সাথে নিজেকে একীভূত করা, মিশরের ভ্রান্ত ধর্ম এবং পাপপূর্ণ আনন্দকে প্রত্যাখ্যান করা। যদি তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিতেন, তাহলে তিনি কখনোই ঈশ্বরের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ হতেন না।
মোশি অনেক শিক্ষা লাভ করেছিলেন। মানুষ তার কথা শুনবে বলে আশা করার আগে তিনি ঈশ্বরের কথা শুনতে শিখেছিলেন। যদিও তিনি মহান ছিলেন, তবুও ঈশ্বরের উপর নির্ভরতার কারণে তিনি নম্র ছিলেন। তার ঈশ্বরকে জানার আকাঙ্খা (যাত্রা পুস্তক ৩৩:১৮) তাকে ঈশ্বরের পক্ষে কথা বলার জন্য যোগ্য করে তুলেছিল। তিনি জোর দিয়েছিলেন যে ঈশ্বরের উপস্থিতি ছাড়া ইস্রায়েল কিছুই করতে পারে না (যাত্রা পুস্তক ৩৩:১৫)। তিনি জানতেন যে তার নেতৃত্ব নিজেকে গৌরবান্বিত করার উদ্দেশ্যে নয়।
মোশি তার নেতৃত্বাধীন লোকদেরকে ভালোবাসতেন। একসময় ঈশ্বর লোকদেরকে তাদের পাপের জন্য ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছিলেন, মোশিকে অন্য জনগোষ্ঠীর একজন মহান নেতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। মোশি বলেছিলেন যে তাদেরকে ছাড়া একজন মহান লিডার হওয়ার চেয়ে তিনি ইস্রায়েলের জায়গায় বিচারিত হওয়া পছন্দ করবেন (যাত্রা পুস্তক ৩২:৩২)। যদি একজন লিডার সহজেই তার লোকেদের অন্য কোথাও পদের জন্য ছেড়ে দিতে পারে, তবে তার মোশির মতো একজন লিডারের হৃদয় নেই।
আমেরিকানরা সাধারণত ধরে নেয় যে ব্যক্তিগত পুরষ্কার এবং সম্মাননা হল সর্বোত্তম প্রেরণা, কারণ একজন ব্যক্তি তার নিজের প্রচেষ্টায় সেগুলি অর্জন করতে পারে। তবে, অনেক সংস্কৃতিতে মানুষ বিশ্বাস করে যে কৃতিত্বের পুরষ্কার পুরো দলেরই। যে ব্যক্তি একা লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করে, তারা সেই ব্যক্তির প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করতে এবং বিঘ্ন ঘটাতে পারে। তারা চায় না যে ব্যক্তিগত কৃতিত্বকে সম্মানিত করা হোক। এই সংস্কৃতিতে, এমন একটি গোষ্ঠীকে পুরস্কৃত করা সবচেয়ে ভালো বিষয় হতে পারে যারা দলগতভাবে লক্ষ্য অর্জন করতে পারে।
জাপানিদের একটি প্রবাদ আছে: “যে পেরেকটি খাড়া হয়ে থাকে তাকে মেরে বসিয়ে দেওয়া হবে।” এই প্রসঙ্গে প্রবাদটি প্রয়োগ করা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তির নিজের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করা উচিত নয়, বরং তার দলের সাথে সহযোগিতা করা উচিত।
অন্য সংস্কৃতিতে কাজ করা একজন লিডারকে লক্ষ্য এবং পুরষ্কার সম্পর্কে সেই সংস্কৃতির দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে হবে।
সাংস্কৃতিক দখল
সাংস্কৃতিক দখল [উপনিবেশায়ন বা ঔপনিবেশিকতা] তখনই ঘটে যখন কোনো জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র গুণাবলীকে বদলে দিয়ে অন্য এক জনগোষ্ঠী তাদের সংস্কৃতির মূল্যবোধ, ভাষা, রীতিনীতি এবং ঐতিহ্য তাদের উপর চাপিয়ে দেয়। সাংস্কৃতিক দখল যুদ্ধ, নিপীড়ন বা ধর্মের বিস্তারের ফলাফল হতে পারে – অর্থাৎ এমন পরিস্থিতি যেখানে বিদেশীরা নাগরিকদের উপর কর্তৃত্ব, নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাব অর্জন করে। তবে, একটি বিদেশী সংস্কৃতি কেবল ব্যবসা করার মাধ্যমেও, কম বলপ্রয়োগ উপায়ে, আধিপত্য বিস্তার করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, বিদেশীরা প্রভাব অর্জন করে কারণ তাদেরকে ধনী বলে মনে হয়, এবং তারা স্থানীয় অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করতে এবং ভালো বেতন দিতে প্রস্তুত। বিদেশীদের কাছ থেকে আনুকূল্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা স্থানীয়দের অনুপ্রাণিত করে।
এমন একটি পরিবেশ যেখানে একটি সংস্কৃতি অন্য সংস্কৃতির দখলে চলে যায়, সেখানে ক্ষমতা এবং প্রভাবের পূর্বের অবস্থানগুলি দুর্বল হয়ে পড়ে । এই সময়ে, তরুণদের একটি সুবিধা রয়েছে কারণ তারা নতুন ধরণের দক্ষতা শেখে। আগে সহজলভ্য ছিল না এমন পদমর্যাদার সন্ধানে, তারা বিদেশী লিডারদের সাথে কাজ করতে চাওয়ার কারণে (যেমন, অনুবাদের কাজ) চাকরি নিতে পারে। তরুণদের সংযোগ এবং অবস্থানের কারণে, বয়স্কদের প্রতি স্থানীয় শ্রদ্ধা হ্রাস পায়।
অনেকেই বিদেশী সংস্কৃতিকে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির তুলনায় উচ্চ স্তরের মনে করতে শুরু করে এবং তা অনুসরণ করার চেষ্টা করে। তরুণ প্রজন্ম পুরনো রীতিনীতি প্রত্যাখ্যান করে। কারণ তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে, তাদের জনসমাজের ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক প্রতীকগুলিতে তাদের আগ্রহ খুবই কম। তারা পোশাক, কথাবার্তা এবং মূল্যবোধে বিদেশী সংস্কৃতি অনুকরণ করার চেষ্টা করে।
দুঃখের বিষয় এই যে বহু মিশনারিরা সংস্কৃতি দখলে অংশগ্রহণ করেছে। প্রথমবারের মতো যখন মিশনারিরা কোনো জনগোষ্ঠীকে সুসমাচারের বার্তার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়, তখন তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে, যা করে তারা এই ধারণা দেয় যে তারা একটি উন্নত সংস্কৃতি থেকে এসেছে। যখন তারা সুসমাচার প্রচার করত, তখন তারা কেবল ঈশ্বরের বাক্য শিক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক প্রত্যাশাও অন্তর্ভুক্ত করত। রূপান্তরিত হওয়া বহু লোকের কাছে সুসমাচারের প্রতি বাধ্যতার সাথে সাড়া দেওয়ার অর্থ ছিল যে তারা একটি বিদেশী সংস্কৃতির কাছেও আত্মসমর্পণ করেছিল।
সাংস্কৃতিক দখল এড়িয়ে চলা
মিশনারিরা সাংস্কৃতিক দখল প্রতিরোধ করতে পারে না যদি না তারা সংস্কৃতির উপর প্রভাব ফেলার জন্য প্রথম বিদেশী হয়। বেশিরভাগ স্থানেই বিভিন্ন বিদেশি বাণিজ্যিক স্বার্থ ইতিমধ্যেই সাংস্কৃতিক দখল শুরু করে দিয়েছে। তবে, মিশনারিদের এই সাংস্কৃতিক দখ যে কোনো অবদান রাখা উচিত নয়।
যারা আন্তঃসাংস্কৃতিকভাবে পরিচর্যা কাজ করে, তাদের মনে রাখা উচিত যে মিশনের কাজ হল বাইবেলভিত্তিক মন্ডলীর দেশজ (অধিবাসী, স্থানীয়) অভিব্যক্তি রোপণ করা। একটি দেশজ মন্ডলী স্ব-সমর্থক, স্ব-শাসিত এবং স্ব-প্রচারভিত্তিক।
দেশজ বিকাশ যেগুলির দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়:
দুরবর্তী স্থানে অবস্থিত লিডারদের দ্বারা প্রণীত পলিসি সকল
বিদেশী মিশনারিরা প্রায়শই এমন সম্পদ এবং সরঞ্জাম নিয়ে আসে যা জাতীয় লিডারদের কাছে থাকে না। এটি একটি বাধা, কারণ এটি কীভাবে কাজ করা উচিত এবং কীভাবে এর ভারবহন করা হবে সেই সম্পর্কে প্রত্যাশা সৃষ্টি করে।
মন্ডলী প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত একজন মিশনারির কোনো নতুন মন্ডলীর পাস্টার হওয়া উচিত নয়। যদি একজন মিশনারি প্রথম পাস্টার হন, তাহলে তার ব্যয় এবং দান এমন একটি ভূমিকা তৈরি করে যা একজন সেই দেশের জাতীয় পাস্টার পূরণ করতে পারবেন না।
একজন মিশনারিকে সর্বদা নিজেকে একজন বিদেশী হিসেবে দেখা উচিত যে একটি অনন্য, অস্থায়ী ভূমিকা পালন করছে। তার স্থানীয় লোকেদের অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত যাদের মধ্যে আত্মিক বৃদ্ধি এবং প্রতিশ্রুতি দেখা যায়, এবং তাদের মধ্যে একজনের নতুন মন্ডলীর পালক হওয়া উচিত।
একজন স্থানীয় পাস্টারকে স্থানীয় জনগণের দ্বারা, এবং প্রয়োজনে তার নিজের কাজের দ্বারাও, আর্থিকভাবে সহায়তা করা উচিত। যদি তাকে বিদেশীরা সহায়তা প্রদান করে, তাহলে স্থানীয় মন্ডলী কখনোই সেটির আর্থিক দায়িত্ব বা দায়বদ্ধতা বুঝতে পারবে না। তারা ভাববে যে মন্ডলীটি তাদের নয়, বরং সেই বিদেশী সংস্থার।
[1]The Willowbank Report: Consultation on Gospel and Culture “Lausanne Occasional Paper 2” (1978) অবলম্বনে ২৫শে অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে https://lausanne.org/occasional-paper/lop-2 থেকে সংগৃহিত।
উপসংহার
► এই পাঠে আপনি যা শিখলেন, তার উপর ভিত্তি করে আপনি কীভাবে আপনার লক্ষ্য বা কাজগুলি পরিবর্তন করার প্রত্যাশা করেন?
১৪ নং পাঠের অ্যাসাইনমেন্ট
১। এই পাঠ থেকে জীবন পরিবর্তনকারী ধারণার সারসংক্ষেপ একটি অনুচ্ছেদে লিখুন। ব্যাখ্যা করুন যে কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি কী উপকার করতে পারে? এটি না জানার ফলে কী ক্ষতি হতে পারে?
২। বর্ণনা করুন যে আপনি কীভাবে এই পাঠের নীতিগুলি আপনার জীবনে প্রয়োগ করবেন। এই পাঠটি কীভাবে আপনার লক্ষ্যগুলি পরিবর্তন করেছে? আপনার পদক্ষেপগুলি পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে আপনি কীভাবে পরিকল্পনা করবেন?
৩। এই পাঠের শুরুতে দেওয়া আন্তঃসাংস্কৃতিক নেতৃত্বদানের সংজ্ঞাটি ভালোভাবে মুখস্থ করুন। পরবর্তী ক্লাস সেশনের শুরুতে এগুলি স্মৃতিশক্তি থেকে লেখার এবং তা ব্যাখ্যা করার জন্য প্রস্তুতি নিন।
SGC exists to equip rising Christian leaders around the world by providing free, high-quality theological resources. We gladly grant permission for you to print and distribute our courses under these simple guidelines:
No Changes – Course content must not be altered in any way.
No Profit Sales – Printed copies may not be sold for profit.
Free Use for Ministry – Churches, schools, and other training ministries may freely print and distribute copies—even if they charge tuition.
No Unauthorized Translations – Please contact us before translating any course into another language.
All materials remain the copyrighted property of Shepherds Global Classroom. We simply ask that you honor the integrity of the content and mission.